>নিয়ম অনুযায়ী, এপ্রিলের মধ্যে গত বছরের আর্থিক প্রতিবেদন চূড়ান্ত করার কথা
>শেয়ারবাজারের ৩৬ ব্যাংক
>নিয়ম অনুযায়ী, যেসব ব্যাংক প্রভিশনিংয়ে বাড়তি সময় নেবে, তারা কোনো লভ্যাংশ দিতে পারবে না
>নিয়ম অনুযায়ী, আর্থিক বছর শেষ হওয়ার চার মাসের মধ্যে আর্থিক হিসাব চূড়ান্ত করে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংকগুলোর লভ্যাংশ ঘোষণা করতে হয়।
>গত মার্চে ব্যাংকগুলোর লভ্যাংশ ঘোষণাসংক্রান্ত নতুন নীতিমালা জারি করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তাতে বলা হয়, নিরাপত্তা সঞ্চিতি সংরক্ষণে বা যথাযথ প্রভিশনিংয়ে ব্যর্থ যেসব ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে বিলম্ব সুবিধা নিয়েছে, তারা ২০২৪ সালের জন্য কোনো লভ্যাংশ দিতে পারবে না।
>বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়মে, প্রতিটি ব্যাংকের পুরো বছরের কার্যক্রম পরিদর্শন করে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর আগে ব্যাংকগুলো নিজেরা ও বাইরের নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠানকে আর্থিক কার্যক্রম নিরীক্ষা করে থাকে। এতে ব্যাংকটির প্রকৃত খেলাপি ঋণের পাশাপাশি সব ধরনের আর্থিক তথ্য পাওয়া যায়। এরপর ব্যাংক, নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বাংলাদেশ ব্যাংক মিলে আর্থিক প্রতিবেদন চূড়ান্ত করে। তার ভিত্তিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে ব্যাংকগুলো কত লভ্যাংশ ঘোষণা করতে পারবে, তার সীমা নির্ধারণ করা হয়।
>অনেক দিন পর ব্যাংকগুলোর প্রকৃত অবস্থা বেরিয়ে আসছে। আগে ব্যাংকগুলো মুনাফা বেশি দেখাতে বা লোকসান কম দেখাতে নানা কৌশল নিত। এখন সেই সুযোগ পাওয়া যাচ্ছে না।